মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

উপজেলা কয়েকটি জমিদার বাড়ী

নীলটেক নীলকুঠিরঃ নীলটেক নীলকুঠির একটি অনেক পুরানো কুঠির।এখানে প্রায় শত শত বছর আছে যখন এই দেশে ইংরেজদের শাষন ইংরেজরা চালাত তখন তারা তাদের সুবিধার্থে এই নীলকুঠির টি স্থাপন করে।ইংরেজরা এখানে নীল প্রক্রিয়া জাত করে বাজার জাত করত। এই নীলকুঠির টি এখনো মানুষ দেখার জন্য মাঝে মাঝে ভির জমায়।অনেক  আগে নীলকুঠির টি বেশ উচু ছিল। স্থানীয় মানুষের কাছে শুনা অনেক আগে যখন ডিজিটালের ছোয়া সভ্যার লাগে নাই তথন মানুষজন তারের গ্রামটি কে দুরের কোন গ্রাম থেকে এই নীলকুঠির দেখে সনাক্ত করত। আর এই নীল কুঠির এর নামানুসারেই এই গ্রামের নামকরন করা হয় নীলটেক। কুঠিরটি সায়েস্তা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উত্তর দিকে সিংগাইর এর দিকে প্রায় তিন কি. মি. দুরে অবস্থিত।

 

 

 

সাহরাইল বড়-বাড়ী(জমিদার বাড়ী): এটি একটি পুরাতন জমিাদার বাড়ী। সাধারনত লোকজনের কাছেই এই বাড়ীটি বড়-বাড়ী নামে পরিচিতি লাভ করে।এই পুরাতন বাড়িটি যে কত বছর আগে তৈরি করা হয়েছিল তার সঠিক তথ্য কারো জানা নেই। তবে আনুমানিক ভাবে ধারনা করা হয় যে এই বাড়িটি প্রায় 200-250 বছর পূর্বে কোন এক জমিদার পরিবার তাদের জামিদারত্বের জন্য এটি তৈরি করেছিল। এখন এই বাড়িটি পরিত্যাক্ত অবস্তায় পরে আছে।এই জমিদার বাড়িটি বর্তমানে সায়েস্তা ইউনিয়ন পরিষদের একটি অতি প্রিয় দর্শনিয় স্থান। এখানে প্রায় অনেক পর‌্যটক আসে বাড়িটিকে এক নজর দেখার জন্য।এই বাড়িটি সাহরাইল থেকে চারিগ্রাম যাওয়ার সময় মেইন রোডের পাশে অবস্থিত। এটি সায়েস্তা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আধা কিঃ মিঃ দূরত্বে অবস্থিত।

 

 

 

বায়রার বিক্ষাত জজ বাড়ী

০১। এই বাড়ীর মূল মালিক ছিলেন শশী ভূষণ সেন। তিনি নিজে এবং তাঁর দুই পুত্র গিরীজা ভূষন সেন ও বিনয় ভূষন সেন এ তিনজনই ততকালীন ব্রিটিশ আমলে এ দেশীয়দের জন্য রক্ষিত সর্ব্বোচ্চ পদে জেলা জজ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সংগত কারণেই এ বাড়ির নাম জজ বাড়ী হয়েছে। বর্তমানে এ বাড়িটি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে আছে।

 

     ০২। জান যায়ে এ জজত্রয় যদিও কলকাতা থাকতেন প্রতি বছর দূর্গা পূজার সময় প্রতি বেশী গরীব-দূখিদের জন্য নৌকা বোঝাই করে অন্ন-বস্ত্র নিয়ে বায়রা এ বাড়িতে আসতেন। শুধু তাই নয় এরা ছিলেন সংষ্কৃতি মনা। যতদিন বায়রা থাকতেন গান বাজনা খেলা-ধুলায় এই গ্রামটিকে মূখরিত করে রাখতেন। বিচারক হিসেবে সবচেয়ে বিশী কখ্যাতি অর্জন করেছিলেন গিরীজা ভূষন সেন। তিনি এক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অত্যান্ত সাহসিকতার সাথে ইংরেজদের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছিলেন।ইংরেজ সরকার এতে তাঁকে রায় বাহাদুর খেতাব দিয়েছিলেন।

 

     ০৩। মোট কথা এরা তিনজনই ছিলেন সফল বিচারক এবং বায়রা গ্রাম তথা সিংগাইর মানিকগঞ্জের গর্ব।

নাম

জন্ম

মৃত্যু

শশী ভূষন সেন

১৮৪০ খ্রিঃ

অজ্ঞাত

বিনয় ভূষন সেন

১৮৬৩ খ্রিঃ

১৯৩৮ খ্রিঃ

গিরীজা ভূষন সেন

১৮৭০ থ্রিঃ

১৯৪২ থ্রিঃ